বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য কেরামতি, আবিস্কার হলো লোহার খনি! যা ভারতের চেয়েও 2 গুন বড়, ভাইরাল ভিডিও

বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য কেরামতি, আবিস্কার হলো লোহার খনি! যা ভারতের চেয়েও 2 গুন বড়, ভাইরাল ভিডিও

বাংলাদেশে লৌহার খনি লোহা আবিষ্কার প্রসঙ্গে আল কোরআন যা বলছে নিশ্চয় আমি আমার রাসুলদেরকে পাঠিয়েছি স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ এবং তাদের সঙ্গে কিতাব ও (ন্যায়ের) মানদন্ড নাজিল করেছি, যাতে মানুষ সুবিচার প্রতিষ্ঠা করে। আমি আরও নাজিল করেছি লোহা,

তাতে প্রচন্ড (রণ) শক্তি ও মানুষের জন্য বহু কল্যাণ রয়েছে। আর যাতে আল্লাহ জেনে নিতে পারেন, কে না দেখেও তাঁকে এবং তাঁর রাসুলদেরকে সাহায্য করে। অবশ্যই আল্লাহ মহা শক্তিধর, পরাক্রমশালী।

(হাদিদ, ৫৭ : ২৫) লক্ষণীয় বিষয় যে, কোরান মাজিদ পৃথিবীতে লোহার অবতরণ বুঝাতে ‘নাযালা’ (نزل) শব্দটি ব্যবহার করেছে। নৃতত্ত্ববিদরা এখন স্বীকার করে যে, আমাদের সৌর জগতের পুরো শক্তি এক পরমাণু লোহা উৎপাদনের জন্যও যথেষ্ট নয়।

অধিকন্তু তারা বলে, পৃথিবীর উপরিভাগে এক পরমাণু পরিমাণ লোহা উৎপাদন করার জন্যে আমাদের সৌর জগতের চারগুণ শক্তির প্রয়োজন হবে। এভাবে নৃতত্ত্ববিদরা এই উপসংহারে পৌঁছে যে, লোহা একটি অতি জাগতিক বস্ত্ত, যা পৃথিবীতে এসেছে অন্য কোনো গ্রহ থেকে।

Chemical Education নামক আমেরিকান এক সাময়িকীতে ১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর সংখ্যায় এবং New Scientists -এর ১৩ জানুয়ারি ১৯৯০ সংখ্যায় বলা হয়েছে : লোহার পরমাণু কণিকাসমূহ সাধ্যাতীত দৃঢ়ভাবে ঘনীভূত। ইতিহাস বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর ২০১৩ সালে ইসবপুর গ্রামের ৩ কিলোমিটার পূর্বে মুশিদপুরে কূপ খনন করে লৌহ জাতীয় খনিজ পদার্থ থাকার অস্তিত্বের প্রমাণ পায়।

এর ছয় বছর পর সেই গবেষণার সূত্র ধরে ইসবপুর গ্রামে কূপ খনন করা শুরু করা হয়। সেখানে লোহার খনি পাবার সম্ভাবনা দেখা যায়। এরপর এবার দিনাজপুরে আরও একটি নতুন লোহার খনি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর (জিএসবি) সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করেছে। দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ১০নং পুনট্রি ইউনিয়নের কেশবপুর মৌজায় এ সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করা হয়েছে।

এর আগে ২০০১ সালে পার্শ্ববর্তী উপজেলা পার্বতীপুরের আমবাড়িতে তামার খনি পাওয়ার আশায় কূপ খনন করা হয়। কিন্তু তা শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। নতুন খনির খোঁজ পাওয়ার পর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে নেমেছেন জিএসবি কর্মকর্তারা। সবশেষ হাকিমপুরের ইসবপুরে লোহার খনির পর, এবার চিরিরবন্দর উপজেলার কেশবপুর মৌজায় নতুন সম্ভাব্য খনির অবস্থান চিহ্নিত করল জিএসবি।

এরই মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কূপ খননের কাজেও নেমেছে দফতরের অনুসন্ধানী দল। প্রথম তিন মাস কূপ খনন করে চলবে খনিজ সম্পদের অনুসন্ধান কাজ। তারই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে সেখানে। নতুন খনিতে লোহার কাঁচামাল আকরের পুরুত্ব অনেক বেশি। তাই লোহার সঙ্গে তামাসহ অন্যান্য মূল্যবান সম্পদ পাওয়ার আশাও করছেন তারা। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ নিয়ে আসা হচ্ছে কেশবপুরে। সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদফতর-জিএসবি‘র মহাপরিচালক ড. মো. শের আলী কূপ খনন কাজের উদ্বোধন করবেন। এর আগে তারা কিছুই বলতে চান না।

বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য কেরামতি, আবিস্কার হলো লোহার খনি! যা ভারতের চেয়েও 2 গুন বড়, ভাইরাল ভিডিও

ভিডিওটি দেখতে

ক্লিক করুন

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!