ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে নবম শ্রেণির ছাত্রী বিয়ে, এলাকাজুরে তোলপার!

ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সাথে নবম শ্রেণির ছাত্রী বিয়ে, এলাকাজুরে তোলপার!

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজে’লার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু তালেবের বি’রুদ্ধে বাল্যবিয়ের অ’ভিযো’গ উঠেছে। রবিবার (১ নভেম্বর) রাতে স্থা’নীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে ক’রেন তিনি। এটি তার দ্বিতীয় বিয়ে।

তবে চেয়ারম্যান আবু তালেবের দা’বি, কনে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হলেও তার বয়স কুড়ি। এটি কোনওভাবেই বাল্যবিয়ে নয়। স্থা’নীয় সূত্র জা’নায়,

চেয়ারম্যানের নব বধূর নাম বহ্নিতা ওসমান বহ্নি। সে বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের দলন গ্রামের ওসমান গণির মেয়ে এবং একই ইউনিয়নের বকসিগঞ্জ হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

বকসিগঞ্জ হাইস্কুলের একটি দা’য়িত্বশীল সূত্র জা’নায়, বিদ্যালয়ে জমা দেওয়া সন’দ অনুযায়ী বহ্নিতা ওসমান বহ্নির জ’ন্ম ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে। সে হিসেবে তার বয়স ১৭ বছর দুই মাস। এদিকে দ্বিতীয় বিয়ের

বিষয়টি নি’শ্চিত ক’রে চেয়ারম্যান আবু তালেব বলেন, ‘প্রথম স্ত্রী দীর্ঘদিন ধ’রে অসু’স্থ হওয়ায় তার অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে ক’রেছি।

তবে এটি বাল্যবিয়ে নয়।’ এ নিয়ে স্থা’নীয়দের অ’ভিযো’গের বিষয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘কনের পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী প’রী’ক্ষার সন’দ অনুযায়ী তার জ’ন্ম ২০০০ সালে। সে হিসেবে তার বয়স ২০ বছরের কিছু কম। মেয়ে ও তার পরিবারের সম্মতিতেই এ বিয়ে হয়েছে। এটি বাল্যবিয়ে নয়।’

বুড়াবুড়ি ইউপির গ্রামপু’লিশ ও কনের চাচা আবু বক্কর সিদ্দিক জা’নান, ‘বহ্নির বাবা দীর্ঘদিন থেকে প্যারালাইজড হয়ে শয্যাশয়ী। বাবার অসু’স্থতার কারণে কনের শিক্ষা বিরতি হয়েছে। সে নবম শ্রেণিতে পড়লেও তার

বয়স কুড়ি।’ তবে কনে বহ্নির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেরুজ্জামান জা’নান, বহ্নি শুধুমাত্র অষ্টম শ্রেণিতে একবার শিক্ষা বিরতি দিয়েছিল।

সে হিসেবে সে বর্তমানে দশম শ্রেণিতে থাকার কথা। কিন্তু এক বছর শিক্ষা বিরতি দেওয়ায় সে এখন নবম শ্রেণিতে পড়ছে। এদিকে চেয়ারম্যানের বাল্যবিয়ের অ’ভিযো’গের বিষয়টি তদ’ন্ত ক’রে আ’ইনগত ব্যব’স্থা

নেওয়া হবে বলে জা’নিয়েছেন উলিপুর উপজে’লার ভা’রপ্রা’প্ত নির্বাহী ক’র্মকর্তা (ইউএনও) ও স’হকা’রী কমি’শনার (এসিল্যান্ড) আশরাফুল আলম রাসেল।

তিনি বলেন, ‘প্রথম স্ত্রীর অনুমতি থাকলে দ্বিতীয় বিয়েতে আ’ইনগত বা’ধা নেই। তবে সেটি বাল্যবিয়ে কিনা তা তদ’ন্ত ক’রে আ’ইনগত ব্যব’স্থা নেওয়া হবে। কারণ একজন জনপ্রতিনিধি এ ধ’রণের ঘ’টনা (বাল্যবিয়ে)

প্রতিহত করবেন, তিনি নিজে এ ধ’রণের কাজ ক’রতে পারেন না।’

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!