হাতে চুড়ি পরনে শাড়ি বাঙালী কন্যা ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে যেন রাজ কুমারি, সবাই তাকিয়ে দেখছেন

হাতে চুড়ি পরনে শাড়ি বাঙালী কন্যা ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছেন রাস্তা দিয়ে যেন রাজ কুমারি, সবাই তাকিয়ে দেখছেন

ঘোড়া এর এখনও বিদ্যমান উপজাতির দুটির মধ্যে অন্যতম।এটি শ্রেণীকরণ সূত্র পরিবারের অন্তর্গত একটি অদ্ভুতদর্শন বক্রপদ খুড়ওয়ালা স্তন্যপায়ী প্রাণী। ঘোড়া বিগত ৪৫ থেকে ৫৫ লক্ষ বছর ধরে Hyracotherium ছোট বহু বক্রপদ

জীব থেকে অভিব্যক্ত বর্তমানের বৃহৎ একক বক্রপদ প্রাণী। ৪০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মানুষ,ঘোড়াকে ঘরে পোষা শুরু করে,এবং তাদের পোষ মানান ৩০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বহুলভাবে শুরু হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ঘোড়ার উপজাতির মধ্যে ক্যাবালাসকে পোষ মানান হয়,যদিও এদের কিছু পোষ্য দল বুনো ঘোড়ার মত খোলা জায়গায় বা জঙ্গলে বাস করে। ঘোড়া বা ঘোটক দ্রুতগামী চতুষ্পদ জন্তু যার পিঠে চড়া যায়। দ্রুতগামী বলে এর নাম তুরগ, তুরঙ্গম।

ঘোড়া প্রজাতির সাধারণভাবে মেজাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়:গতি এবং সহনশীলতা দিয়ে সজীব “উষ্ণ রক্ত”;”ঠান্ডা রক্ত”,যেমন ড্রাফট ঘোড়ারা ও কিছু হিসেবে টাট্টুগুলি,যারা একটু ধীর গতির, কিন্তু ভারী কাজের জন্য উপযুক্ত;এবং “মাঝারি মেজাজ”,যা প্রায়শই প্রথম দুটি প্রকারের মিশ্রণ, সঙ্কর ঘোড়া।

সম্প্রিতি এক রাজ কুমারি তার ঘোড়া নিয়া সারা গ্রাম ঘুরে শহরের দিকে যাইতেছে ,তার ঘোড়া চালানোর দক্ষতা দেখে মনে হচ্ছে সে খুবই পারদর্শী
ঘোড়া চালাতে । মেয়েটি তার ঘোড়াই চরার অনুভুতি টিকে যেন বারবার উপভোগ করছে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!