বাসায় উল’ঙ্গ করে ব্ল্যাক’মেইল করাই কাল হলো মডেল রোমানার স্বর্ণার!

বাসায় উল’ঙ্গ করে ব্ল্যাক’মেইল করাই কাল হলো মডেল রোমানার স্বর্ণার!

নিত্য নতুন প্রতা’রণার মাধ্যমে এক সৌদি প্রবাসীর কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগের মা’ম’লায় মডেল ও অভিনেত্রী রোমানা ইসলাম স্বর্ণাকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সন্ধ্যায় তাকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লালমাটিয়া এলাকা থেকে গ্রে’ফ’তার করে পু’লিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পু’লি’শের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মৃ’ত্যু’ঞ্জয় দে সজল।

পু’লিশ বলছে রোমানা স্বর্ণা একাই নয় এরা একটি প্র’তারক চ’ক্র। সম্মিলিতভাবে এই চক্র প্র’তা’রণা করে আসছে। প্রতারণার শি’কার কামরুল হাসান জুয়েল দুই কোটির বেশি টাকা প্রতা’র’ণার শিকা’র হয়েছেন বলে গণোমাধ্যম ও পু’লি’শকে বলেছেন।

কাম’রুল হাসান জুয়েল বলেন, আমার খালাতো ভাইয়ের মাধ্যমকে তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরিচয় হওয়ার এক পর্যায়ে সে ফেসবুকে আমাকে অ্যাড করে। সে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে। সে বলে আমার মা’কে নিয়ে আমি অসহায় অবস্থায় আছি।

আমার একটা ছেলে আছে, লেখাপড়া করাতে পারিনা। মিডিয়াতে কাজ হয় না। এক কাজ করো আমাকে তুমি একটা উবার কিনে দাও, যেটা দিয়ে আমি চলুতে পারবো। আমি ১৮ লাখ টাকা দিয়ে উবার কিনে দেই। আমার সর্বমোট দুই কোটি টাকার মতো নিয়েছে।

তবে পু’লিশ জানায় অভিনেত্রী রোমানা স্ব’র্ণা একটি প্র’তা’রক’চ’ক্রের হয়ে কাজ করে আসছে দীর্ঘদিন। প্রথমে প্রেমর সম্পর্ক পরে হেনস্থার ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করে থাকে। ঢাকা মে’ট্রো’পলি’টন পু’লি’শের তেজগাঁও জোনের উপ পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন,

‘ভু’ক্তভো’গী জুয়েল যখন বিদেশ থেকে আসলো, তখন সে তার স্ত্রী মডেল, অভিনয় করে। তার বাড়িতে গেল। সেসময় এই প্র’তার’কচ’ক্র করলো কি,

তাকে আরো প্রতা’রণা করার জন্য উ’ল’ঙ্গ করে ছবি তুললো। এরপর তাকে বললো তুমি যদি আরো টাকা না দাও তাহলে এই ছবি ফেসবুক ও ইন্টারনেটে ছেড়ে দিব। সেই ভয়ে ভু’ক্ত’ভোগী আরো কিছু টাকা দিলেন।’

অর্থাৎ বাসায় উ’ল’ঙ্গ করে ব্ল্যা’ক’মেইল করাই কাল হলো রোমানার স্বর্ণার। এমনটাই পু’লি’শের ভাষ্য। তেজগাঁও জো’নের এই পু’লিশ কর্তা আরো জানান কামরুল হাসান জুয়েলের মতো প্রবাসী অনেকেই প্রে’মের ফাঁ’দে পড়ে টাকা খোয়াচ্ছেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আশরাফি ইসলাম শেইলী (৬০), নাহিদ হাসান রেমি (৩৬), আন্নাফি (২০), ফারহা আহম্মেদ (৩০) ও অজ্ঞাত এক যুবক (৩৭)।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!