অভিনয়ে চান্স পেতে ছেলেরাও প্রযোজকের বিছানায় যায়

অভিনয়ে চান্স পেতে ছেলেরাও প্রযোজকের বিছানায় যায়

বলিউডের খ্যাতিমান প্রযোজক ও পরিচালক একতা কাপুর।ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, বলিউডে এমন কিছু অভিনেতা আছেন যারা

কাজ পেতে তাদের যৌ’নতা ব্যবহার করে থাকেন।কাজ পেতে তারা প্রয়োজনে বিছানায় চলে যান।উপস্থাপক বরখা দত্তের এক প্রশ্নের জবাবে একতা আরো জানান,

কেবলমাত্র কেউ ইন্ডাস্ট্রিতে ভাল জায়গায় রয়েছে বলেই কাউকে দো’ষারোপ করা উচিত নয়।অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও কাজ পেতে নিজেদের শরীরকে ব্যবহার করেন।তিনি যোগ

করেন, এই ঘটনা হার্ভে ওযয়েনস্টেইন পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। বলিউডে এমন অনেক পরিচালক বা প্রযোজক আছেন যারা অনেকেই এই যৌ’ন হে’নস্থার শি’কার হয়ে থাকেন।পাশাপাশি এমন কিছু অভিনেতা বা

অভিনেত্রী আছেন তারা স্বেচ্ছায় নিজেদের যৌ’নতা ব্যবহার করে থাকেন কেবলমাত্র কাজ পাওয়ার আশায়।আমি বিশ্বাস করি যে শিকারিকে ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে একটি বাক্সে রাখা উচিত নয়।তবে এটা সর্বদা সত্য নয় যে, যার ক্ষ’মতা নেই তারাই একমাত্র এই ঘটনার শি’কার হয়ে থাকেন, যোগ করেন একতা।

বিয়ে না করার কারণ জানালেন সালমান! সালমান খানের কথা উঠলেই যেটা সবার আগে মনে পড়ে সেটা হল পঞ্চাশ পেরিয়ে ভাইজান এখনো চিরকুমার। তবে কি বা কন কারণে

তিনি এখনো বিয়ের পিড়িতে বসেন নি সেটা স্পষ্ট বলেন না এই লাভার বয়।কিন্তু সম্প্রতি একটা অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, প্রেমিকাদের ভালোবাসলেও তারা ভালোবাসত না। তাই হয়তো বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি তার। টেলিভিশনের জনপ্রিয় শো বিগ বস ১৩ সিজনে এমনটাই দাবি করলেন সালমান।

শনিবার ও রোববার বিগ বসের মঞ্চে আসেন দীপিকা পাড়ুকোন, লক্ষ্মী আগরওয়াল ও বিক্রান্ত মসি। রোববারের পর্বে সালমান সবার সামনেই তার অতীত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন। দীপিকার সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, যে সালমান তার সব প্রেমিকাদেরই ভালোবাসতেন কিন্তু কেউ তাকে ভালোবাসত না।সালমান স্বীকার করেছেন যে

তার অতীতের প্রেমিকারা ঠিকই করেছেন তাকে ভালো না বেসে। কারণ তিনি যোগ্য ছিলেন না ভালোবাসার। সালমান প্রতিযোগীদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি মঞ্চে দীপিকা, লক্ষ্মী ও বিক্রান্তকে স্বাগত জানান। সেখানে সালমান মজা করেন দীপিকার সঙ্গে।আবদুর রশিদ সলিম সালমান খান ৫৪ বছরে পা দিলেও এখনো অবিবাহিত। ক্যারিয়ারের শুরু হতেই ভারতীয় চলচ্চিত্রে দাপুটে এ অভিনেতা বলিউডের জনপ্রিয় তিন খানদের অন্যতম।

১৯৮৮ সালে ‘বিবি হো তো এহসি’ চলচ্চিত্রে একটি গৌণ ভূমিকায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তার চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয়। এক বছর পরেই ‘ম্যায়নে পিয়ার কিয়া’ নামের ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক সাফল্য পান এবং সেই সময় ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ নবাগতের পুরস্কার লাভ করেন। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!