সালোয়ার পরেই লাইভ করছি!এবার সেই সালোয়ার খুলে দেখালেন সানাই (ভিডিও সহ)

সালোয়ার পরেই লাইভ করছি!এবার সেই সালোয়ার খুলে দেখালেন সানাই (ভিডিও সহ)

গত পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময় জানাতে ফেসবুক লাইভে এসেছিলেন সানাই মাহবুব৷পরবর্তীতে তার সেই ফেসবুক লাইভ নিয়ে শুরু হয়েছিল সমালোচনার ঝড়৷

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছিল তার সেই লাইভ ৷ অনেকেই স্ট্যাটাস বা মন্তব্য করে বলেছিল, সানাই মাহবুব সালোয়ার না পড়ে লাইভে এসেছিল৷পরবর্তীতে সানাই তার ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস সহ সেই সালোয়ার খুলে দেখিয়েছিল!

সানাই মাহবুরের সেই সালোয়ার খুলে দেখানোর ভিডিও লিংক নিচে দেওয়া হলো এবং সানাই মাহবুরের ফেসবুক পেজের স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:-আমি অবাক হয়ে গেছি একটা কথা শুনে, আমি নাকি সালোয়ার পড়িনি, এটা কেমন কথা!

আমি এতোক্ষণ ভাবতেছিলাম মানুষ এমনি এমনি বলতেছে কারণ আমি কখোনই পেইজের কমেন্টস সেরকমভাবে খেয়াল করিনা, কিন্তু হঠাৎ দেখলাম ৭০% মানুষ ভাবতেছে আমি সালোয়ার পড়িনি!

এটা কেমন লজ্জাজনক কথা! মানুষের নুন্যতম বিবেচনাবোধ থাকলেও তো মানুষ এরকম অসভ্য চিন্তা করতে পারে না… এই দুটা ছবি ভালোভাবে দেখুন, এখানে সালোয়ার আছে কিন্তু ডিজাইন টা একটু ভিন্ন এবং সালোয়ারের নিচে স্কিন কালারের লে’গিংস পড়া আছে…

সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হচ্ছে একজন নারী হয়ে আমি সালোয়ার পড়েছি কি পড়িনি এটা নিয়ে আমাকে প্রমাণ দিতে হচ্ছে তাও বাংলাদেশের মতো জায়গায় যেখানে নিঃসন্দেহে নারীর স্বপক্ষে আইন গুলো বেশ শক্ত এবং পাকাপোক্ত ! এবং চাইলেই একজন নারীকে আজেবাজে

কমেন্টস করা যায় না সেখানে এদেশের কিছু মানুষ কিভাবে আমার সালয়ার পড়া নিয়ে প্রশ্ন উঠাতে পারে?? যারা বলছে আমি নাকি সালোয়ার পড়িনি তারা কি আমার জামা টা উঠায় দেখছে যে আমি সালোয়ার পড়িনি! শুধু অনুমানের ভিত্তিতে গুজব ছড়ানো যে একটা অ’পরাধ এটা কি তারা জানে না…

কি প্রমাণ আছে তাদের কাছে যে আমি সালোয়ার পড়িনি??? আইন তো প্রমাণ চায়.. আবেগ দিয়ে কোনো আইন চলে না… প্রমাণ কি আমি সালোয়ার পড়িনি??? আমি সালোয়ার পড়েছি এবং স্কিনি লেগিংস পড়েছিলাম সেটার প্রমাণ আমার কাছে আছে..

এখন প্রশ্ন হচ্ছে যারা মামলা করতে চাচ্ছে তারা তো পারসোনাল শত্রুতা থেকে করতে চাচ্ছে… তার প্রমাণ ভয়েস রেকর্ড টা তো আছেই আমার পেইজে…

শুধু একটা না এরকম ২৯ টা ভয়েস রেকর্ড আছে আমার কাছে… যেগুলোতে সে আমাকে মামলা করতে বলছে প্রোডিউসারের বিরুদ্ধে.. ভয়েস কল কোন নাম্বার থেকে কোন নাম্বারে এসেছে তার লিস্ট বের করা এবং যাচাই-বাছাই করা বিজ্ঞ সাইবার ইউনিটের সর্বোচ্চ ৫ মিনিটের কাজ!

৫ মিনিট! সো, যে মা’মলা করতে চাচ্ছে সে তীব্র মানসিক ভারসাম্য সমস্যায় ভুগছে ( তীব্র মানসিক ভারসাম্যহীনতা মানে শুধু পপুলার হতে চায়,

পাওয়ার জন্য যে কোনো কিছু করতে পারে) তার কারণ সে আগেও আরও ১ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছে …

এবং কিছুই করতে পারেনি… কারণ মিথ্যা তো সাময়িক! আর সবচেয়ে বড় কথা, যে মা’মলা করবে সে কি ফেইসবুকে এসে চিল্লাবে? ফেইসবুকে চিল্লাচ্ছে কারণ সে পাব্লিসিটি চাচ্ছে… তা হলে মা’মলা করার জায়গা তো ফেইসবুক না, এখানে কি??তার এতো সাধারণ ট্রিক্সটা মানুষ বুঝতে পারতেছে না??

এবার আসি আসল কথায়, এতো সাধারণ একটা ব্যাপার নিয়ে যদি কেউ মামলা করে তাহলে আমি বলবো ভালোই হবে কারণ পুরা দেশ থেকে শুরু করে পাশের দেশ ভারত সহ বিদেশের গণ মাধ্যম গুলো দেখবে আমার দেশে একটা মেয়ের সাধারণ সালয়ার পড়া নিয়ে কিছু মানুষের কতো চুলকানি!

আমি সালোয়ার পড়ছি কি পড়িনি এটা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ সহ সম্মানিত পুলিশ বাহিনী, সম্মানিত সাইবার সিকিউরিটি টিম, র‍্যাব, প্রশাসন এদের কোনো মাথা ব্যাথা নাই আর মাথা ব্যাথা হচ্ছে কার???

ওমুক মিয়া আর সেই ওমুক মিয়ার কিছু পোষ্য ভাড়া করা মানুষের! কি ভাবছে ওরা এগুলা নিয়ে নিউজ হবে না??? বিশ্ব দেখবে না এই দেশের একটা মেয়ে সালোয়ার পড়ছে কি পড়েনি এটা নিয়ে রাষ্ট্রের কোনো মাথা ব্যাথা না থাকলেও কিছু মানুষের কি পর্যায়ের চুলকানি!

আর রাষ্ট্র কি এই এই টুকু ছোট্ট ব্যাপার টাকে বিশ্ববাসী পর্যন্ত পৌছাতে দিবে যে তার দেশের একটা মেয়ে স্কিন কালারের লেগিংসের উপর সালোয়ার পড়ছে এটা নিয়ে মানুষের হৈচৈ! যারা বেকার তারা এরকম ছোট ব্যাপার নিয়ে নাচবে এটাই স্বাভাবিক! আইন প্রমাণ চায়!

আর যে ব্যক্তি হাইলাইট হওয়ার জন্য এরকম নাচানাচি করছে তার ব্যাপারে বলবো, আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমার নাম নিবো না কারণ তাহলে তুমি জিতে যাবা,

হাইলাইট হবা আমি আইনের আওতায় আনবো তোমাকে এটা বুঝানোর জন্য যে চাইলেই নারীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া যায় না, তোমাকে আমি আইনের আওতায় শাস্তি দিবো, তুমি তো হাইলাইট হওয়ার জন্য মানুষের বিরুদ্ধে থেকেথেকে মামলা দাও, তোমাকে বুঝাবো মামলা ছেলে খেলার বিষয় না… তুমি বুঝবা নারী কি জিনিস!

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!