খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভাঙলেন বর, অতঃপর অন্য পাত্রীকে বিয়ে!

খাসির মাংস না পেয়ে বিয়ে ভাঙলেন বর, অতঃপর অন্য পাত্রীকে বিয়ে!

খাসির মাংস নেই খাবারের তালিকায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে খাসির মাংস খেতে না পেরে বিরক্ত বরযাত্রীরা। খাবারের তালিকায় খাসির মাংস না থাকায় শেষ পর্যন্ত বিয়েই ভেঙে দিলেন বর। শুধু তাই নয়, কনে বাড়ি থেকে বাসায় ফেরার পথে অন্য একটি মেয়েকে বিয়েও করে ফেলেন তিনি।

ভারতের উড়িষ্যার রাজ্যের সুকিন্দা এলাকায় গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে। পাত্রের নাম রমাকান্ত। ২৭ বছরের ওই যুবক উড়িষ্যার সুকিন্দা ব্লকের বাঁধাগাঁও গ্রামে বিয়ে করতে গিয়েছিলেন। এসময় বরযাত্রীরা খেতে বসে খাসির মাংস খাবার বায়না ধরেন। কিন্তু এত দ্রুত খাসির মাংসের আয়োজনের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না কনের বাড়ির লোকজন। বিষয়টি জানতে পেরেই রেগে যান রমাকান্ত।

ক্রমেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। পরে বিয়েবাড়ি ছেড়ে বের হয়ে আসেন বরযাত্রী এবং বর। রাতে আশ্রয় নেন এক আত্মীয়ের বাড়িতে। কেওনঝড়ে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে সেই রাতেই আর একটি মেয়েকে বিয়ে করেন রমাকান্ত।

চুমু কেলেঙ্কারিতে ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ, কপাল খুলল সাজিদ জাভিদের!

করোনাভাইরাস বিধিনিষেধ অমান্য করে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ও বন্ধু গিনা কোলাড্যাঙ্গেলোকে জড়িয়ে ধরা ও চুম্বনের ঘটনায় অবশেষে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কাছে লিখিত চিঠি দিয়ে তিনি পদত্যাগ করেছেন। ম্যাট হ্যানককের বিদায়ে যুক্তরাজ্যের মন্ত্রিসভায় ফিরেছেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত রাজনীতিবিদ সাজিদ জাভিদ।

এর আগে অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে মতানৈক্য হওয়ায় তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। নতুন দায়িত্ব পেয়ে ‘সম্মানিত’ বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন ৫১ বছর বয়সী সাজিদ জাভিদ।

গত ৬ মে যুক্তরাজ্যের দৈনিক পত্রিকা দ্য সান-এ একটি ছবি প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পরিচালক গিনা কোলাড্যাঙ্গেলোকে জড়িয়ে ধরে তার গালে চুমু দিচ্ছেন যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক।

প্রথম দিকে এই ছবি তেমন সাড়া না ফেললেও পরে ম্যাট হ্যানকক ও গিনা কোলাড্যাঙ্গেলাকে জড়িয়ে সরস ও মুখরোচক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে থাকে ব্রিটেনের অনেক পত্রিকা।পাশাপাশি দেশটিতে চলমান কঠিন করোনা বিধিনিষেধের মধ্যে এই ছবি প্রকাশিত হওয়ায় ‘সরকারের লোকজন নিজেরাই বিধিনিষেধ মানছেন না’ বলে দেশজুড়ে সমালোচনাও শুরু হয়।

যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় গত দু’-তিন মাস ধরে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এই ছবি প্রকাশ ও একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়ে দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার। তবে সরকারের মন্ত্রীসভার সদস্যরা আগেই বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন, তারা হ্যানককের পাশে আছেন।

শেষ পর্যন্ত সরেই যেতে হয়েছে হ্যানকককে। ক্ষমা চেয়ে এক বিবৃতিতে হ্যানকক বলেছেন, ‘আমি স্বীকার করছি যে বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি সামাজিক বিধিনিষেধ সংক্রান্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছি। দেশের জনগণ ও সরকারকে বিব্রত করার জন্য আমি খুবই দুঃখিত।’

প্রসঙ্গত, ম্যাট হ্যানকক ও গিনা কোলাড্যাঙ্গেলোর মধ্যে বন্ধুত্বের সূত্রপাত হয় তাদের ছাত্রজীবনে; যখন তারা উভয়েই অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রেডিও স্টেশনে পার্টটাইম চাকরি করতেন। পরে গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে অনির্বাহী পরিচালক পদে নিয়োগ পান গিনা কোলাড্যাঙ্গেলা।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!