আলজাজিরার প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণিত হলে স্বেচ্ছায় ফাঁসি নেব: নুর

আলজাজিরার প্রতিবেদন মিথ্যা প্রমাণিত হলে স্বেচ্ছায় ফাঁসি নেব: নুর

কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরায় বাংলাদেশ সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদ চলছেই।

নতুন খবর হচ্ছে, কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরায় সম্প্রতি বাংলাদেশ নিয়ে প্রচারিত প্রতিবেদনটি পুরোপুরি মিথ্যা নয় বলে দাবি করেছেন সাবেক ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর।

তিনি সরকারের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, সরকার যদি প্রতিবেদন পুরোপুরি মিথ্যা প্রমাণ করতে পারে তিনি স্বেচ্ছায় ফাঁসিবরণ করবেন। আজ শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরের সামনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তৃতা দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
আরো পড়ুন: শহীদ বাবরীর পরিবর্তে তৈরি নয়া মসজিদে নামাজ পড়া ও অনুদান দেওয়া হারাম: ওয়াইসি

ভারতের মজলিশ-ই-ইত্তেহাদুল মুসলেমিন (মিম) প্রধান ব্যারিস্টার আসাদউদ্দিন ওয়াইসি এমপি অযোধ্যার ধান্নিপুরে তৈরি হতে যাওয়া নয়া মসজিদে নামাজ পড়া ‘হারাম’ বলে মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে ওয়াইসির ওই মন্তব্য প্রকাশ্যে এসেছে।

ওয়াইসি বলেন, কেউ যদি অযোধ্যার ওই মসজিদে নামাজ পড়েন তবে তা ‘হারাম’ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাঁর ওই মন্তব্যে মসজিদ ট্রাস্টের সম্পাদক এবং ইন্দো-ইসলামিক কালচারাল ফাউন্ডেশনের আতাহার হুসেন অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকের বিদার এলাকায় ওয়াইসি ‘সংবিধান বাঁচাও ভারত বাঁচাও’ কর্মসূচী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময় বলেন, অযোধ্যার ধান্নিপুরে নির্মিত হতে যাওয়া মসজিদটি ইসলামের নীতিবিরোধী। এজন্য এটিকে মসজিদ বলা যায় না।

মসজিদটি নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান এবং নামাজ পড়া উভয়ই ‘হারাম’ বলেও মন্তব্য করেন ওয়াইসি। ওয়াইসি বলেন, যে মুনাফেকদের দল বাবরী মসজিদের পরিবর্তে পাঁচ একর জমিতে মসজিদ তৈরি করছে, সেটা মসজিদ নয় বরং তা ‘মসজিদ-ই-জিরার’। কেউ যেন সেখানে দান না করে। যদি আপনারা দান করতে চান, তবে বিদারে কোনও এতিমকে দান করুন।

উত্তর প্রদেশের অযোধ্যার বাবরী মসজিদ-রাম মন্দির মামলায় গত বছরের আগস্টে সুপ্রিম কোর্ট বাবরী মসজিদ যেখানে ছিল সেখানে রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে রায় দেয়। সুপ্রিম কোর্ট আরও নির্দেশ দেয় সরকার অযোধ্যার কোথাও পাঁচ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দেবে যেখানে মসজিদ তৈরি হবে।

এরপরে উত্তর প্রদেশ সরকার অযোধ্যার ধান্নিপুর গ্রামে পাঁচ একর জমি সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে দিয়েছিল যার উপরে ওই মসজিদ নির্মাণের সূচনা হয়েছে। এর আগে মুসলিম পার্সোনাল ল’বোর্ডের সদস্য ও অল ইন্ডিয়া বাবরী মসজিদ অ্যাকশন কো-অর্ডিনেশন কমিটির আহ্বায়ক জাফরইয়াব জিলানী বলেছিলেন,

ওই প্রস্তাবিত মসজিদ ওয়াকফ আইনের বিরোধী। কারণ মসজিদ বা মসজিদের জমি কখনো অদলবদল করা যায় না। শরীয়া আইন অনুসারে তা করা অসম্ভব। এজন্যই মুসলিম পার্সোনাল ল’বোর্ড এর আগে ওয়াকফ বোর্ডকে জমি না নেয়ার অনুরোধ করেছিল।

উৎস, পার্সটুডে

আরো পড়ুন: কুরআনুল কারীম মানবজাতির জন্য একমাত্র সংবিধান: জুনায়েদ বাবুনগরী

কুরআনুল কারীম মানবজাতির জন্য একমাত্র সংবিধান বলে উল্লেখ করেছেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত দেশে কুরআনের অনুশাসন কায়েম না হবে এবং কুরআনের বিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালিত না হবে, ততদিন দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে না।

কুরআনের অনুশাসন ছাড়া কোনোকালেও দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।বুধবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলার উদ্যোগে বেগমগঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে আয়োজিত ইসলামি মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আল্লামা বাবুনগরী বলেন, হযরত ওমর ইবনুল আব্দুল আজিজ রহ. কুরআনের বিধান অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করেছিলেন। তাই তার শাসনামলে সর্বত্র শান্তি-শৃঙ্খলা, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো।

আমীরে হেফাজত আরও বলেন, ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরিম-লসহ সর্বক্ষেত্রে কুরআনের অনুশাসন চালু হলে দেশে শান্তির বাতাস বইবে।

কুরআনের অনুশাসন ছাড়া মানব রচিত কোন আইন, তন্ত্রমন্ত্র আর থিওরি দ্বারাই দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা যাবে না

আরো পড়ুন: আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশি হাফেজ মামুন !

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ‘কিং আব্দুল আজিজ আল সৌদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায়’ প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশি হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মোট ৭৩টি দেশের মধ্যে এ কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন তিনি।এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বসেরা হাফেজ হলেন কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার সন্তান হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় এবং এ বছরের এপ্রিল মাসে মিশরের রাজধানী কায়রোতে ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত ২৪তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথমস্থান অজর্ন করেন তিনি।

এ ছাড়া ২০১৬ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ২০তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক এ কুরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উস্তাদ হাফেজ কারী নাজমুল হাসানের সঙ্গে গত ৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সৌদি আরব যান আবদুল্লাহ আল মামুন ও হাফেজ নাঈমুল হক সাদী।

হাফেজ আব্দুল্লাহ আল-মামুন ৩০ পাড়া গ্রুপে এবং হাফেজ নাঈমুল হক সাদী ১৫ পারা গ্রুপে এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রতিযোগিতায় সেরা হাফেজ নির্বাচিত মামুন রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর বিবির বাগিচাস্থ তাহফিজুল কোরআন ওয়াস সুন্নাহ মাদরাসার ছাত্র এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নের আবুল বাশারের ছেলে।

আরো পড়ুন: ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা মাত্র ৫ মাসে হাতে লিখল পুরো কুরআন

মিশরের আল-আজহারের অন্তর্গত একটি স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী “ফাতেমা ইউসুফ আদলি হাসান” উসমান তাহার ক্যালিগ্রাফিতে কুরআন লিখেছেন।

পবিত্র কুরআনের এই পাণ্ডুলিপিটি তিনি মাত্র পাঁচ মাসে লিখেছেন।মিশরের কানা প্রদেশের ফারতুশ শহরের আল-হাজ সালাম গ্রামের নিবাসী ফাতেমা এ ব্যাপারে “আল ইয়াউম আস সাবেয়” বলেন: আমি অষ্টম শ্রেণীর সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থী।

১৫ বছর বয়সে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছি এবং কুরআন হেফজ করার পর মাত্র ৫ মাসে উসমান তাহা বর্ণমালায় কুরআন লিখেছি।তিনি বলেন পবিত্র কুরআন লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে আয়াতগুলো মুখস্থকরণকে একীভূত করা, আরবি স্ক্রিপ্ট শক্তিশালী করা এবং আমার লিপিটিকে উসমান তাহার ক্যালিগ্রাফির অনুরূপ করার চেষ্টা করা।

আমার একটি অনন্য কাজ হিসেবে এটা স্মৃতি হিসেবে থাকবে। মিশরের এই শিক্ষার্থী আরও বলেন: আমার জীবনে কুরআন লেখার এবং আয়াত মুখস্থ করা একটি গৌরব বিষয়।এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছি এবং সেখানে শীর্ষ স্থানে উত্তীর্ণ হয়েছে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!