গ্রামের ছোট্ট মেয়েদের বরশি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা,১৭ মিনিটের ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল!

গ্রামের ছোট্ট মেয়েদের বরশি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা,১৭ মিনিটের ভিডিওটি তুমুল ভাইরাল!

মাছ ধরা, সংগ্রহ বা আহরণে ব্যবহূত যে কোন ধরনের সাজসরঞ্জাম, হাতিয়ার বা যন্ত্রকৌশল।

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেকে হাত দিয়েও মাছ ধরে। শীতকালে গ্রামাঞ্চলে মৌসুমি জলাশয় বা বিলে নানা সরঞ্জাম দিয়ে বা সরঞ্জাম ছাড়া প্রায়শ একত্রে লোকেদের মাছ ধরা একটি সুপরিচিত দৃশ্য।

বাংলাদেশে মাছ ধরার চিরায়ত প্রধান পদ্ধতিগুলি নিম্নরূপ:

জখম করার হাতিয়ার এ ধরনের সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে বর্শাজাতীয় হাতিয়ার, যা ছোড়া যায় অথবা যা দিয়ে সরাসরি মাছ গাঁথা হয়, ক্ল্যাম্প ও সাঁড়াশি। জখম করে মাছ ধরার চিরায়ত সরঞ্জাম:
এককাঁটা; তেকাঁটা; অাঁকড়া এবং কোঁচ।

বিষ প্রয়োগ ও বিস্ফোরকের সাহায্যে মাছ মারা সুন্দরবনের কিছু এলাকায় কতকগুলি রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে মাছ মারার খবর পাওয়া যায়। মাছ শিকারে রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ।

টানাবড়শি স্বাদুপানিতে ও সমুদ্রে লম্বা সুতার টানাবড়শি এবং ছিপে বড়শির ব্যবহার, গ্রামের ধানক্ষেতে ও বিলে অনেকগুলি বড়শিসহ একটি দীর্ঘ সুতা ভাসিয়ে রাখা ইত্যাদি বাংলাদেশের বড়শি দিয়ে শিকারের সাধারণ নমুনা। বড়শি দিয়ে মাছ শিকারে মাছকে প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম টোপ দিয়ে আকৃষ্ট করা হয় অথবা চারা ফেলে প্রলুব্ধ করা হয়।

মাছ ধরার ফাঁদ গ্রামাঞ্চলে বাঁশের শলা দিয়ে বিভিন্ন ধরনের চাঁই তৈরি করা হয়। এতে থাকে বিভিন্ন আকৃতির খোপ। এতে মাছ ঢোকানোর কৌশল আছে, কিন্তু বের হওয়ার কোন উপায় নেই।

গ্রামাঞ্চলে বর্ষাকালে বন্যার সময় লোকে মাছ ধরার ফাঁদ পাতে। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের ফাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ইকবর চাঁই, বেগা, ডুবা ফাঁদ, দারকি, উন্টা, তেপাই, ধীল, চেং, চাঁই, চান্দি বাইর, বানা, পলো, রাবনি, চারো ইত্যাদি।

তেমনি গ্রামের ছোট্ট মেয়েদের বরশি দিয়ে মাছ ধরার প্রতিযোগিতা,১৭ মিনিটের ভিডিওটি ইন্টারনেটে ঝড়ের গতিতে ভিডিওটি ভাইরাল হয়!

ভাইরাল ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!