বাবা নেই এতিম ছেলে মাত্র ১৪ মাসে কুরাআনে হাফেজ হয়েছে বাড়ি সিলেট

বাবা নেই এতিম ছেলে মাত্র ১৪ মাসে কুরাআনে হাফেজ হয়েছে বাড়ি সিলেট

ভাইরাল তো এটাই হওয়া দরকার ছিল ছেলেটি ইয়াতিম।বাবা নেই।
হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় পুরো সিলেট বিভাগে

১ম হয়েছে। মাত্র ১৪ মাসে হাফেজ হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী বরুণা মাদ্রাসার ছাত্র।আল্লাহ যেনো তাকে দ্বীনের জন্য কবুল করেন আমিন। ঠাকুর-দেবতা কি জাহান্নাম থেকে পুজারীকে রক্ষা করতে পারবে? সূরাঃ ৯৫ তীন, ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-৪। আমরা

মানুষকে সৃষ্টি করেছি সুন্দরতম গঠনে। আল্লাহ মানুষকে সুন্দরতম গঠনে সৃষ্টি করেছেন, ঠাকুর-দেবতা কি করেছেন? কেউ যদি বলে আল্লাহ নয়, বরং ঠাকুর-দেবতা মানুষকে সুন্দরতম গঠনে সৃষ্টি করেছেন, তো সে কি কোন পুস্তক থেকে আমাকে ঠাকুর-দেবতার এমন কথা দেখাতে পারবে? এরপর আল্লাহ এবং ঠাকুর-দেবতা
উভয় যদি বলে, বিপদে পড়লে আমাকে ডাকবে তাহলে আমিই

রক্ষা করব, তাহলে আমি কার কথা বিশ্বাস করব?
সূরাঃ ১১০ নাসর, ১ নং থেকে ৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে।
২। আর তুমি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দীনে প্রবেশ করতে দেখবে। ৩। তখন তুমি তোমার রবের হামদ এর তাসবিহ পাঠ
করবে, আর তাঁর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে। নিশ্চয়ই তিনি তো তওবা কবুলকারী। মুসলিমরা যখন মক্কা আক্রমন করলো, তখন

পুজারী রক্ষার জন্য ঠাকুর-দেবতাকে ডেকে ছিল, আর মুসলিম, বিজয়ের জন্য আল্লাহকে ডেকে ছিল্। তখন ৩৬০ ঠাকুর-দেবতা পুজারীকে রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেনি, বরং তখন এক আল্লাহ
মুসলিমকে বিজয় দিয়ে দিলেন। তখনই লোকেরা বুঝেগেল ঠাকুর-দেবতা আসলে সত্য কথা বলে না। সে জন্য তারা তখন দলে দলে আল্লাহর বান্দা হয়ে গেল। সহিহ সুনানে নাসাঈ, ৩১৭৭ নং

হাদিসের (জিহাদ অধ্যায়) অুনবাদ- ৩১৭৭। হযরত আবু হুরায়রা (রা.)থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে হিন্দুস্থানের যুদ্ধের আশ্বাস দিয়েছেন। আমি তা’ পেলে তাতে
আমার জান মাল উৎসর্গ করব। আর আমি যদি নিহত হই তবে মর্যাদাবান শহীদ বলে গণ্য হব, আর যদি প্রত্যাবর্তন করি, তাহলে আমি আবু হুরায়রা হব আযাদ বা জাহান্নাম হতে মুক্ত। সহিহ সুনানে নাসাঈ, ৩১৭৮ নং হাদিসের (জিহাদ অধ্যায়)

অুনবাদ-৩১৭৮। হযরত রাসূলুল্লাহর (সা.)গোলাম সাওবান (রা.)থেকে বর্ণিত।তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন আমার উম্মতের দু’টি দল, আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জাহান্নাম হতে
নাজাত দান করেছেন, একদল যারা হিন্দুস্থানের জিহাদ করবে আর একদল যারা ঈসা ইবনে মরিয়মের সাথে থাকবে। তরাইনের দ্বিতীয় ও পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে ঘটেগেল আরেক কান্ড। তখন ঠাকুর-দেবতার পুজারী ও আল্লাহর বান্দাদের মাঝে মহাযুদ্ধ হয়ে গেল। তখনও ৩৩ কোটি ঠাকুর-দেবতা পুজারীকে রক্ষা করলো না।

তখনও জয়ী হয়ে গেল আল্লাহর বান্দাগণ। তারপর টাকুর-দেবতার দেশে লক্ষ লক্ষ আল্লাহর ঘর মসজিদ তৈরী হলো। এরপর ৩৩ কোটি দেবতার পুজারী মিলে রামের একটা ঘর উদ্ধার করে
হেংলার মত বলছে, রাম কি জয়! তো হাজার বছর রামের ঘর যে আল্লাহর বান্দা গণের দখলে ছিল, তখন রাম তবে কি করছিল? তবে ঐ একখান ঘরও আল্লাহর বান্দাগণ আবার দখলের অপেক্ষায় আছে। সহিহ তিরমিযী, ২২১৫ নং হাদিসের (কলহ ও বিপর্যয় অধ্যায়) অনুবাদ-২২১৫। হযরত আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন,

খোরাসানের দিক থেকে কালো পতাকাবাহীগণ বের হবে (মাহদীর সমর্থনে)। অবশেষে সেগুলো ইলিয়া (বায়তুল মাকদিস) এ স্থাপিত হবে এবং কোন কিছুই তা’প্রতিহত করতে পারবে না। আল্লাহর
রাসূল (সা.) তো বলেই দিলেন, বিশ্বের কেউ আল্লাহর বান্দাদেরকে ঠেঁকাতে পারবে না। এমনকি বিশ্বের সব ঠাকুর-দেবতা একত্রিত হলেও আর্লাহর বান্দাদেরকে ঠেঁকাতে পারবে না। তো এসব ঠাকুর-দেবতা আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে থাকা জাহান্নাম থেকে তাদের পুজারীদেরকে কেমন করে রক্ষা করবে? আল্লাহ তো বললেন, এসব ঠাকুর-দেবতাকে তিনি চিরস্থায়ী জাহান্নামে পুড়িয়ে পুজারিকে

দেখাবেন তারা নিজেরাই নিজেদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে রক্ষা করতে পারবে না, পুজারীকে রক্ষায় তারা থাকবে মহা অপারগ। আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে ঠাকুর-দেবতার পুজা করায় আল্লাহ
কখনোই ঠাকুর-দেবতার পুজারীকে ক্ষমা করবেন না। ঠাকুর-দেবতা ও তাদের পুজারী একত্রে জাহান্নামে জ্বলবে। ঠাকুর-দেবতার পুজারীকে আল্লাহ এখন ধরছেন না তারদেরকে তাওবা বা তাঁর পথে ফিরে আসার সুযোগ দিচ্ছেন বলে। এতে তাদের এটা মনে করার দরকার নেই যে আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিবেন না, বরং আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দেওয়া শুরু করলে, তাদের সেই শাস্তি আর কোন দিন শেষ হবে না।মৃতূর পর তাদেরকে যে আগুন উপহার দেওয়া হয়, সেই আগুনই থাকবে তাদের অনন্ত সঙ্গী।
অগ্নি দেবতা তাদেরকে অনন্তকাল পোড়াতে খাকবে। সংগত কারণে ভাব হে পুজারী, কে সত্য? আল্লাহ, না ঠাকুর-দেবতা? সুতরাং

ঠাকুর-দেবতার ক্ষণিকের ক্ষমতাকে ভয় না করে আল্লাহর চিরস্থায়ী ক্ষমতাকে ভয় কর। ঠাকুর-দেবতার ক্ষণিকের ক্ষমতা তো পরীক্ষার জন্য। সেই পরীক্ষায় পাস না করলেই মহা বিপদ!

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!