সিনেমা’র থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মু’সলিম’দের পাশে দাঁড়ানো: সোনাক্ষি

সিনেমা’র থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ মু’সলিম’দের পাশে দাঁড়ানো: সোনাক্ষি

সদ্য মু’ক্তি পেয়েছে বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা দাবাং ৩। সালমন খানের পাশাপাশি মুখ্য ভূমিকায় অ’ভিনয় করেছেন সোনাক্ষি সিনহা।

সিনেমা দর্শক হৃদয়ে ঝ’ড় তুলল কিনা তা ভু’লে এখন দেশের সবচেয়ে চর্চিত বিষয়ে সংশো’ধিত নাগরিকত্ব বিল নিয়ে মেতে রয়েছেন বলি অ’ভিনেত্রী সোনাক্ষি।

অনুভূতি আমি অনুভব করছি। নিজেদের আওয়াজ তুলে বি’রোধিতা করা মানুষদের জন্য আমি গর্ববোধ করি। তাঁদের সঙ্গে আমি আছি।’

তিনি এও জানান, ‘দেশজুড়ে কী’ চলছে সেসব আম’রা জানি। মানুষ জানে কোনটা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমি সত্যিই খুশি যে আমাদের সিনেমাতেও দর্শকরা

মু’ক্তির পরই বক্সঅফিস কাঁ’পিয়ে দিয়েছে সলমনের দাবাং ৩। প্রথম দিনে এই সিনেমা’র ঝুলিতে প্রবেশ করেছে ২৪.৩ কোটি টাকা।

তবে মু’ক্তির পরই অনলাইন প্ল্যাটফর্মে লিক হয়ে যাওয়া ব্যবসায় অনেকটাই লোকসান হচ্ছে বলে অ’ভিযোগ উঠেছে।

পুরুষদের প্রথম চাহিদা কী থাকে ফাঁস করলেন যৌনকর্মী

যৌনকর্মী শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা সবাই পরিচিত। এই পেশায় কেউই মখে আসে না। কাউকে জোড় করে এই পেশায় আনা হয়। আবার কেউ চরম দারিদ্রতার শিকার হয়ে এই পেশায় আসতে বাধ্য হন।

যাইহোক এই পেশার মানুষদের কাছেও আসে আবার সমাজের বিশেষ একটা শ্রেণীর পুরুষরা।যৌনকর্মীদের কাছে এসে প্রথমেই পুরুষদের কী চাহিদা থাকে তা হয়ত অনেকেই জানেন না।

সেকথাই এবার জানালেন এক যৌনকর্মী।যৌনপল্লি থেকে বেরিয়ে আসা এক নারী নিজের সেই সব দিনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন।

জানালেন কী ধরনের খদ্দেরের দেখা মিলেছিল।এক শনিবার রাতের ঘটনা। চামড়ার বুট পায়ে দাঁড়িয়েছিলেন ওই নারী যৌনকর্মী।

আচমকাই এক ব্যক্তি এসে তাঁর বুটটি চাটতে থাকেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মহিলার হাতে টাকা ধরিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওই ব্যক্তি।

একবার এক ব্যক্তির সঙ্গে যে ঘরে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছিলেন ওই মহিলা, সেই ঘরে একটি ফুটো করে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। যাতে বাইরে থেকে তাঁর বন্ধুরা অনায়াসে মিলনের সাক্ষী থাকতে পারেন।

ডিক কে নামের এক ব্যক্তি আবার একবার নিজের বিজনেস ট্রিপে ওই মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কখনওই তাঁর সঙ্গে সঙ্গম করেননি।

এমনকী একই বিছানায় শুয়েও তাঁকে স্পর্শ করেননি। এমন ঘটনা বেশ অবাক করেছিল যৌনকর্মীকে।এমন বেশ কয়েকজনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল,

যাঁরা বলেছিলেন তাঁরা মহিলা হলে নিঃসন্দেহে দেহব্যবসাকেই বেছে নিতেন। যৌনকর্মীদের কাজ তাঁদের দারুণ পছন্দ ছিল।

জীবনে অনেক ভদ্রলোকের সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছিল তার। যারা কখনও তাকে কোনও কিছুর জন্য জোর করতেন না। সাবেক এই যৌনকর্মীর মতে,

এর দু’টি কারণ হতে পারে। বলছেন, “আমি এক ঘণ্টায় তাঁদের থেকে বেশি আয় করতাম বলে হয়তো তাঁরা আমায় সম্মান করতেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!