একটি ৪ বছরের বাচ্চা মারা যায় কিন্তু মরতে মরতে যে ৩ টি কথা বলে যায় তা বিশ্ববাসীকে হতভম্ব করে দেয় কথা গুলো ব্যাপক সাড়া ফেলে ইন্টানেট দুনিয়ায়।

একটি ৪ বছরের বাচ্চা মারা যায় কিন্তু মরতে মরতে যে ৩ টি কথা বলে যায় তা বিশ্ববাসীকে হতভম্ব করে দেয় কথা গুলো ব্যাপক সাড়া ফেলে ইন্টানেট দুনিয়ায়।

যখন একটি মানব সন্তান তার মায়ের কাছ থেকে যখন জন্মগ্রহণ করে তখন সে মানব সন্তান বাচ্চা বা ইংরেজিতে বেবি নামে পরিচিত। একটি নতুন অাগত বাচ্চাকে ১ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বাচ্চা বলে ডাকা হয়।

তাদেরকে ৩ বছর পর্যন্ত শিশু বলে অবিহিত করা হয় এবং এটি ততক্ষণ পর্যন্ত অভিহিত করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের কে বিদ্যালয়ে ভর্তি করে না দেওয়া হয়।

শৈশবকাল মানব জীবনের ১ম ধাপ। বিষেজ্ঞদের মতে এ সময়ে তারা হাঁটা চলা এবং কথা বলতে শুরু করে। যখন তারা হাঁটতে শুরু করে তখন তারা অাস্তে সব করতে শিখে।সচারচর ১ থেকে ৩ বৎসর পর্যন্ত শৈশবকাল চলে।

বাচ্চা এমন একটি শব্দ যেখানে ছেলা কিংবা মেয়ে সন্তানের উল্লেখ নেই।ছেলে এবং মেয়ে উভয় সন্তানকেই তখন সমান দৃষ্টিতে দেখা হয়।

ক্যান্সার সংক্রামক : ক্যান্সার সংক্রামক রোগ নয়। এটি ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো ছড়িয়ে পড়ে না। এটিকে একটি সংক্রামক বা ছোঁয়াচে রোগ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় না।

ক্যান্সার বংশগত : সাধারণত ক্যান্সার আপনার জীবনশৈলীর (কীভাবে জীবন যাপন করছেন) তার উপর নির্ভর করে । অ্যালকোহল, তামাক, নির্দিষ্ট কতগুলো রাসায়নিক পদার্থ, জীব ও উদ্ভিদের শরীরে উৎপন্ন বিষ (টক্সিন), হরমোনজনিত বিশৃঙ্খলতার কারণে ক্যান্সার ঘটতে পারে।

নিয়মিত চেক আপ ও আজকের চিকিৎসা-প্রযুক্তি গোড়ার দিকে সব প্রকারের ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে : যদিও নিয়মিত ডাক্তারী যত্ন ও চিকিৎসা গোড়ার দিকে ক্যান্সার সনাক্ত করতে পারে, তবে নিরাময়ের কোনো নিশ্চয়তা প্রদাণ করে না। বেশীর ভাগ ক্যান্সারকে গোড়াতেই সনাক্ত করা যায়, তবে কিছু কিছু ক্যান্সার মৃত্যু পর্যন্ত অসানাক্ত থেকেই যায়।

শরীরের একটি অংশ বা অঙ্গ থেকে আর একটিতে বিচরণের কারণে, সুচ-বায়োপসি (নিডল বায়োপসি) বা বায়োপসি (রোগনির্ণয়ের বা পরীক্ষার জন্য জীবদেহ থেকে কোষকলা কেটে বা চেঁচে নেওয়া) পদ্ধতি ক্যান্সার কোষকে বিশৃঙ্খল করতে পারে : বেশির ভাগ ক্যান্সারে সুচ বায়োপসির ফলে ক্যান্সার কোষের ছড়িয়ে পড়ার কোনো প্রমাণ নেই।

কারুর ক্যান্সার হলেই তার চিকিৎসা আছে /সব প্রকার ক্যান্সারেরই চিকিৎসা আছে : ডাক্তারী পরামর্শ ও বিকল্প পথ জেনে নেওয়ার পর কোনো ব্যক্তি চিকিৎসার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ক্যান্সার আক্রান্ত কোন ব্যক্তির মধ্যে ক্যান্সারের কোনো চিহ্ন বা লক্ষণ নাও দেখা দিতে পারে এবং কোনো কোনো ব্যক্তির ক্যান্সারের শেষ পর্যায়ে ডাক্তারবাবু একমাত্র ব্যথা বা যন্ত্রণা উপশমের পরামর্শ দিতে পারেন।

ক্যান্সার সবসময়ের জন্য যন্ত্রণাদায়ক : কিছু কিছু ক্যান্সারে কোনো যন্ত্রণাই থাকে না, যা সম্পূর্ণ যন্ত্রণাবিহীন। রোগীর সন্তুষ্টির জন্য ডাক্তারবাবু এক্ষেত্রে মিছেমিছি যন্ত্রণা নিরসনের ওষুধ দিয়ে ভুলিয়ে রাখেন, ফলে রোগীর দৈনন্দিন জীবনযাপনে এর একটা সুপ্রভাব পড়ে।

ঠিক এমন একটা ঘটনা ঘটেছে যা খুবই হৃদয় বিদারক একটা ঘটনা একটি ৪ বছর এর শিশুর ক্যান্সার মরন ব্যাধি রোগে আক্রান্ত হয়ে মরার আগে যা বলে গেছে তার কথা গুলো সারা জেগেছে নেটীজন দের মনে এবং তা তা বিশ্ববাসীকে হতভম্ব করে দেয় কথা গুলো ব্যাপক সাড়া ফেলে তুমুল ভাইরাল ইন্টানেট দুনিয়ায়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!