দৃষ্টিনন্দন ই’স’লা’মী ভাস্কর্যের যু’গে বাংলাদেশ!

দৃষ্টিনন্দন ই’স’লা’মী ভাস্কর্যের যু’গে বাংলাদেশ!

দৃষ্টিনন্দন ইসলামী ভা’স্ক’র্যে’র যুগে বাংলাদেশ। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ছ’ড়ি’য়ে আছে এসব স্থাপনা। বিগত কয়েক বছরের ব্য’ব’ধা’নে এগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। সব না’ন্দ’নি’ক ইসলামী সৃষ্টিকর্ম মানুষের চিন্তাশীল সুন্দর সৃষ্টিশীলতার বহিঃপ্রকাশ। পৃ’থি’বী’জু’ড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য চোখ ধাঁধানো

ইসলামী স্থাপত্যশিল্প ও ভা’স্ক’র্য। বাংলাদেশও এ থেকে পিছিয়ে নেই।রাজধানী ঢাকাসহ জে’লা-উপজেলা পর্যায়ে দৃষ্টিনন্দন ইসলামী স্থাপত্যশিল্প ও ভাস্কর্য প্রতিটি অঞ্চলের সৌন্দর্য ও পরিচিতিকে বা’ড়ি’য়ে দিয়েছে। ঐতিহাসিক চিন্তা-চেতনা, দৃষ্টিভঙ্গি, ধর্ম ও সং’স্কৃ’তি’র বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে শি’ল্পী’র তুলির আঁচড়ে নির্মিত

ভাস্কর্য ও স্থাপত্যশিল্প গু’রু’ত্ব’পূ’র্ণ স্থানগুলোর শোভাবর্ধন করছে। এসব ধ’র্মী’য় শিল্পকর্মের নান্দনিক রূপ দেখে হৃদয় জুড়ায় অ’গ’ণি’ত ধর্মপ্রাণ দর্শনার্থী ও ভ্রমণপিপাসুর। সংক্ষেপে এসব সৃষ্টিকর্মের বিষয়ে আজকের আয়োজন…কুমিল্লায় নজরকাড়া ‘আ’ল্লা’হু চত্বর’মোটামুটি দূর থেকেই সড়কের পা’শে মুরাদনগর বাসস্ট্যান্ডে এটি চোখে পড়ে। প্রতিদিনই দূর-দূরান্তের যা’ত্রী’স’হ বিভিন্ন

যানবাহনের চালক গাড়ি থা’মি’য়ে একপলক চোখ বুলিয়ে নিচ্ছেন সু’দৃ’শ্য এ ইসলামী ভাস্কর্যটিতেকুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলা স’দ’রে আল্লাহর ৯৯ নামখচিত দৃষ্টিনন্দন আ’ল্লা’হু চত্বর নজর কাড়ছে মানুষের। ধ’র্ম’প্রা’ণ মুসল্লিরা আল্লাহর নামের এমন একটি স্থাপনা দেখে বেশ খুশি। কয়েক মাস আগে উপজেলা সদরের বাসস্ট্যান্ডের পূ’র্ব’পা’শে’র তিন

রাস্তার মোড়ে খো’দা’ই করে মহান আল্লাহতায়ালার গুণবাচক ৯৯ নামখচিত দৃ’ষ্টি’ন’ন্দ’ন ভাস্কর্যটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।এফবিসিসিআইর সা’বে’ক সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইউসুফ আ’ব’দু’ল্লা’হ হারুন এর উদ্বোধন করেন। স্থানীয় এ’লা’কা’বা’সী জানান, মহান আল্লাহতায়ালার গুণবাচক ৯৯ না’ম’খ’চি’ত দৃষ্টিনন্দন ভাস্কর্যই এ চত্বরের আকর্ষণ। ফ’লে দিন দিন জনপ্রিয়

হয়ে উঠছে মুরাদনগর বা’স’স্ট্যা’ন্ড। বর্তমান সংসদ সদস্য ইউসুফ হারুনের স’হ’যো’গি’তা’য় বাসস্ট্যান্ডে এটি স্থাপন করা হয়। ভা’স্ক’র্য স্থাপনকৃত এ চত্বরটির নাম দেওয়া হয়েছে আল্লাহু চত্বর। চত্বরটির মাঝখানে সুবিশাল একটি পিলারে চা’র’পা’শে খোদাই করে লেখা হয়েছে।আল্লাহর ৯৯টি নাম এবং চূড়ায় বড় করে লেখা

হয়েছে ‘আল্লাহু’। আ’র’বি শব্দে তৌহিদের কালেমা লেখা এ স্তম্ভটি উচ্চতায় ১৬ ফুট এ’বং ১০ ফুট ব্যাস। এতে একসঙ্গে তৈরি তিনটি স্ত’ম্ভে বাংলা উচ্চারণ ও অর্থসহ আল্লাহু লেখা। এর নিচে লেখা র’য়ে’ছে- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ’। এরপর রয়েছে উচ্চারণ ও অ’র্থ’স’হ আল্লাহর গুণবাচক ৯৯ নাম।এর

নিচে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন বি’ভি’ন্ন রঙে সজ্জিত ছয়টি আরবি ক্যালিগ্রাফি। মোটামুটি দূ’র থেকেই সড়কের পাশে মুরাদনগর বাসস্ট্যান্ডে এটি চোখে পড়ে। প্রতিদিনই দূর-দূরান্তের যাত্রীসহ বিভিন্ন যা’ন’বা’হ’নে’র চালকরা গাড়ি থামিয়ে একপলক চোখ বু’লি’য়ে নিচ্ছেন সুদৃশ্য এ ইসলামিক ভাস্কর্যটিতে। এ ছা’ড়া’ও প্রতিদিনই বাড়ছে ভাস্কর্যটির পাশে দর্শনার্থীদের ভিড়ে এ’লা’কা’বা’সী

আরও জানায়, মাত্র কয়ে’ক বছর আগেও দুর্ঘটনাপ্রবণ হিসেবে চিহ্নিত এ এ’লা’কা’টি ছিল প্রায় জনমানবশূন্য। এখানে গড়ে উঠেছে বহুতল মার্কেট। এ ছাড়াও মুরাদনগরের বিভিন্ন গ্রামে যা’তা’য়া’তে’র জন্য এখানে রয়েছে সিএনজি ও অটোরিকশা স্টেশন। অনেকে স্মৃতি ধরে রাখতে আল্লাহু চ’ত্ব’রে’র ছবি তুলছেন।কসবায় পবিত্র কোরআনের ভাস্কর্য।দেশের প্র’থ’ম পবিত্র

কোরআনের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হ’য়ে’ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উ’প’জে’লা’য়। এর আগে বাংলাদেশে আর কেউ এ রকম ইসলামিক ভা’স্ক’র্য নির্মাণ করেনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চা’রু’ক’লা ইনস্টিটিউটের তৎকালীন শিক্ষার্থী ভাস্কর কা’ম’রু’ল হাসান শিপন ইসলামিক এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ ক’রে’ন। ২০১৭ সালের

৩১ ডিসেম্বর ভাস্কর্যটি দর্শনার্থীদের জ’ন্য উন্মুক্ত করা হয়।কসবা পৌর মেয়র এ’ম’রা’নু’দ্দী’ন জুয়েলের তত্ত্বাবধানে পবিত্র কোরআনের আ’দ’লে নির্মিত এ ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন আ’ই’ন’ম’ন্ত্রী আনিসুল হক। সৌদি আরবের জেদ্দা বিমানবন্দর থে’কে নেমে মুসলমানদের পবিত্র নগরী মক্কার প্র’বে’শ’দ্বা’রে আল কোরআনের আদলে এ’ক’টি দৃষ্টিনন্দন বিশালাকার

তোরণ রয়েছে। সেই তোরণের আ’দ’লে কসবা উপজেলা সদরের ব্যস্ততম কদমতলা মো’ড়ে এটি তৈরি করা হয়েছে। উন্নতমানের গ্লাস ফাইভার দ্বারা তৈরি নান্দনিক ভাস্কর্যটি উচ্চতায় ১৬ ফুট এবং প্রস্থে ৮ ফুট।নির্মাণে ব্যয় হয়েছে সোয়া ২ লাখ টাকা। কো’র’আ’নে’র এই ভাস্কর্যটি দেখতে প্র’তি’দি’ন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভিড় করেন অনেক দর্শনার্থী। দূর-দূ’রা’ন্ত থেকে আসেন

কোরআন-প্রেমিক মানুষ। অ’নে’কে বলেন, এটি শুধু ভাস্কর্য নয়; কোরআন-প্রেমিক জ’ন’তা’র পবিত্র স্থান। ব্যতিক্রমধর্মী এ অসামান্য ভাস্কর্য নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা সব পেশা-শ্রেণির মানুষের প্র’শং’সা কুড়িয়েছেন। দেশে অপরাধমুক্ত ইসলামী সমাজ গঠন এবং সুন্দর শরিয়তসম্মত পরিবেশ বিনির্মাণে ক’স’বা’স’হ দেশের সব মুসলমানদের কাছে এই ভাস্কর্য দে’খে মানুষ অন্তরে

অনুভব করবেন এবং কো’র’আ’নে’র শিক্ষা। মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি তৈ’রি হবে এক অনন্য ভালোবাসা।
ফেনীতে আল্লাহু ও মুহাম্মদ (সা.) নামের নান্দনিক স্থাপনাফেনী শহরে নির্মাণ করা হ’য়ে’ছে আল্লাহু ও মুহাম্মদ (সা.) নামে না’ন্দ’নি’ক এক স্থাপনা। শহরের বাইপাস অংশের রামপুর সড়কের মা’থা’য় এ ইসলামিক ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হ’য়ে’ছে। দৃষ্টিনন্দন এ স্থাপনা

নির্মাণ করেছে ফেনী পৌ’র’স’ভা। নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে ১০ লাখ টাকা। মহান আল্লাহ ও মুসলিম জাহানের প্রিয় নবী হজরত মু’হা’ম্ম’দ (সা.) কে প্রতি মুহূর্তে স্মরণ করতে এটি নির্মাণ করা হ’য়ে’ছে। ভাস্কর্যটির উচ্চতা সাড়ে ১৪ ফুট।এ ছা’ড়া শহরের শহীদ মেজর সালাউদ্দিন বী’র’উ’ত্ত’ম উচ্চ বিদ্যালয়-সংলগ্ন

সড়কের মোড়ে আরেকটি ই’স’লা’মি’ক ভাস্কর্য নির্মাণের উদ্যোগ রয়েছে। আরবি দুই শ’ব্দে’র ইসলামিক স্থাপনাটি পথচারীসহ মুসল্লিদের মন কাড়ছে।দি’নে’র বেলায় এ স্থাপনাটি দেখতে যেমনই হো’ক না কেন, রাতে এর সৌন্দর্য বহু গুণ বেড়ে যায়। তাই স’হ’জে সব শ্রেণির পথচারীর দৃষ্টিগোচর হয় এটি। আলোকসজ্জার কারণে রাতের সময়টিতে স্থা’প’না’টি তার নান্দনিক রূপ মে’লে ধরে।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!