মেয়ের স’হ’বাসের ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, প্রতি ভিডিও বেচতেন ১২০০ টাকা

মেয়ের স’হ’বাসের ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, প্রতি ভিডিও বেচতেন ১২০০ টাকা

মেয়ের স’হ’বাসের ভিডিও রেকর্ড করতেন মা, প্রতি ভি’ডিওতে পেতে ১২০০ টাকা। সং’বাদটি সম্পন্ন পড়তে।

তবে এই দুই না’রীকে নিয়ে রহস্যের জাল যেন বেড়েই চলেছে। ত’দন্ত করতে গিয়ে দুজন না’রীকে দেখা গেছে অনৈ’তিক কাজে শামিল ‘’হতে। তাদের মোবাইল নাম্বারের সূত্রে জানা যায়, তারা টা’কার বিনিময়ে অ’নৈতিক কাজে লি’’প্ত ছিল। তবে ট্রাফিক থেকে মু’ক্তি পেতেই তারা স্কুটারে প্রেস লেখা ঝু’লিয়ে ছিল।

বনানী থা’না পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, কচি ও সোনিয়া একইস’’ঙ্গে থাকতেন এবং এক’ইস’’ঙ্গে ঘুরে বেড়াতেন।বিভিন্ন লোক’জনের স’’ঙ্গে মে’লামেশা ছিল তাদের। তাদের মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে কিছু নাম্বারে কল করলে এ তথ্য মেলে। সোনিয়ার নম্বরথেকে একটি নম্বর নিয়ে কল করলে, ওপাশ থেকে আনিস নামে এক যুবক বলেন,

ওইদিন সোনিয়া সকাল ১১টা থেকে বে’লা তিনটা পর্যন্ত তার স’’ঙ্গে ছিলেন। তারা মোটরসাইকেলে ঘুরেছেন, খাও’য়া দাওয়া করেছেন। একটি বাসায় অ’ন্তর’’ঙ্গ মুহূর্ত কা’টিয়েছেন বলে জানান ওই যুবক। কতদিনের পরিচয় জানতে চাইলে ওই যুবক জানিয়েছেন, এক বন্ধুর মা’ধ্যমে তিনি নম্বর পান, ওইদিনই তাকে ফোন করেছেন এবং একদিনই ঘুরেছেন।

বিনি’ময়ে তিনি এক হাজার ২০০ টাকা দিয়েছেন। আর কচির বি’ষয়টি জানতেন না বলেও জানান ওই যুবক। কচির মামা নুরুল আমিন জানান, কচি কী করতেন তা আমি জানতাম না। মাঝে মধ্যে ফোনে কথা ‘’হতো। টে’লিভিশনে ম’রদে’হের ছবি দেখে কচিকে চিনতে পারি, এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজের ম’র্গে গিয়ে ম’রদে’হ শ’নাক্ত করি।

শুনেছিলাম, মিরপুর শাহ আলী এলাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে দুই বান্ধবী থাকত। তারা দুজন একইস’’ঙ্গে চলাফেরা করত একইস’’ঙ্গে থাকত। সোনিয়ারবড়ভাই রুবেল বলেন, সোনিয়া ঢাকায় চাকরি করার কথা বলেছিল আ’মাকে। এরপর বিউটি পার্লারে কাজের কথাও একসময় জানিয়েছিল। বিয়ে হয়েছিল তিন মাসের মাথায় তালাক হয়ে যায়।

এরপর আর বিয়ে করেননি সো’নিয়া।পু’লিশ জানায়, সৈয়দা কচির (৩৮) বাড়ি কিশোরগঞ্জ কুলিয়ারচর পৌরসভার পাচুলিয়া বাজিতপুর এলাকার সৈয়দ ফজলুল হকের মেয়ে। নি’’’হত আরেকজন সোনিয়া আ’ক্তারের (৩২) বাড়ি ভোলা সদর উপজে’লায়।গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১টার দিকে ম’হাখালী সেতু ভ’বনের সামনের সড়কে দুই না’রীকে পড়ে থাকতে দেখে পু’লিশে খবর দেয় পথচারীরা।

পরে তাদের উ’’’দ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিলে দুজনকেই মৃ’ত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক।বনানী থা’নার ভারপ্রা’’প্ত কর্মক’র্তা নুরে আজম জানান , ‘দিনরাত তারা স্কুটিতে ঘুরে বেড়াতেন। বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যাওয়ারও প্র’মাণ মিলেছে।’ তাদের মৃ’ত্যুর বি’ষয়ে ওসি বলেন, ‘মা’মলা হয়েছে, ত’দন্ত চলছে। কীভাবে তাদের মৃ’ত্যু হ’য়েছে তা জানার চে’ষ্টা চলছে।’

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!