ন’গ্ন পে’টে ১০০০০ মৌ’মাছি, গর্ভ’বতী নারীর অ’দ্ভূত কা’ণ্ড!

ন’গ্ন পে’টে ১০০০০ মৌ’মাছি, গর্ভ’বতী নারীর অ’দ্ভূত কা’ণ্ড!

মাতৃত্বকালীন সময় একজন নারীর অ’ত্যন্ত আনন্দের সময়।আর সেই আনন্দের মুহূর্ত ধরে রাখতে অনেকেই ইদানিং মাতৃত্বের সময়ের ফটোশুট করান বিবাহের ফটোশুটের মতো এই মাতৃত্বের ফটোশুট-ও এখন বিশ্বজুড়ে দম্পতি ও মা হতে যাওয়া মহিলাদের মধ্যে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

মাতৃত্বের আনন্দ এবং গর্বকেই উদযাপন করা সেইসব ফটোশুটের মূল লক্ষ্য।তবে সম্প্রতি আ’মেরিকার টেক্সা’সের এক গর্ভবতী মহিলার এই মাতৃত্বের ফটোশুট সোশ্য়াল মিডিয়ায় ভাই’রাল হয়েছে।

নেটিজেনরা তার ফটোগু’লির অর্থই বুঝে পাচ্ছেন না।এই অদ্ভূত ফটোশুটটি করেছেন টেক্সা’সের বোয়ার্ন এলাকার এক মহিলা বেথনি কারুলাক-বেকার। আউটডোর ফটোশ্যুটে,

বেথানি-কে দেখা যাচ্ছে একটি বাক্স মৌচাকের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। উ’র্ধাঙ্গে অন্ত’র্বাস ছাড়া কিছু নেই। ওই অবস্থায় তার ন’গ্ন গ’র্ভাবস্থার পেটে প্রায় ১০,০০০ জীবন্ত মৌমাছি ভনভন করছে।

বেথানি তার ফটোশুটের কয়েকটি ছবি সোশ্য়াল মিডিয়ায় শেয়ার করে অন্যান্য দম্পতিদের সতর্ক করে লিখেছেন, অ’ভিজ্ঞতা এবং পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকলে এই ধরণের ফটো তোলার চেষ্টা অ’ত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।

সেইসঙ্গে তিনি লিখেছেন, রানী মৌমাছিকে একটি খাঁচায় পুরে তার পেটের সঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয়েছে।আর তার উপর প্রায় হাজার দশেক মৌমাছি ঢেলে দিতেই এমন ছবি তোলা সম্ভব হয়েছে। একটি মৌমাছিও তাকে কামড়ায়নি বলে দাবি করছেন বেথানি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন এই ছবি তোলার আগে তিনি ডাক্তারের অনুমতি নিয়েছিলেন।

কিন্তু কেন হঠাৎ করে এমন অদ্ভূত মাতৃত্বকালীন ফটোশুট? বেথানির দাবি ‘এটি কেবল তার পেটে মৌমাছিওয়ালা এক মহিলার ছবি নয়’। তিনি জানিয়েছেন, গত বছরই তার গর্ভপাত হয়েছিল। আর তা থেকে তিনি গভীর হতাশায় ডুবেগিয়েছিলেন।

এই ছবি তাই ‘অনেক অনেক বেশি কিছু উপস্থাপন করে’। এই ছবিগুলো তাকে এবং তার অনাগত শি’শুকে ভবিষ্যতে ‘ভিতরের যোদ্ধা’র কথা মনে করিয়ে দেবে।

কিন্তু সবকিছু ছেড়ে হঠাৎ মৌমাছি কেন? বস্তুত তিনি একজন মৌমাছি পালক। তার স্বামীও এই কাজই করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের তৈরি নানা প্রকারের মধুর ছবি পাওয়া যায়।

কিন্তু, তারপরেও নেটিজেনরা তার এই ফটোশুট দেখে মা’থা চুলকাচ্ছেন। তারা বুঝেই পাচ্ছেন না, মৌমাছি পালন, তার গ’র্ভপাত হওয়ার ঘটনা – এই দুই কী’ভাবে মিলে মিশে গেল? অনেকেই আবার বেথানি এবং তার অনাগত শি’শুর সুরক্ষার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!